‘মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে লালিত চট্টগ্রামের সাংবাদিক সমাজ’

স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি রুখে দিয়ে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি ফের ক্ষমতায় আনতে একসঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রামের সাংবাদিক সমাজ। ২৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে ‘মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে লালিত চট্টগ্রামের সাংবাদিক সমাজ’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে সিনিয়র সাংবাদিকরা এ ঘোষণা দেন।

তারা বলেন, এবারের নির্বাচনে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি ক্ষমতায় ফিরে এলে দেশ অন্ধকারে চলে যাবে। দেশের অগ্রযাত্রা বন্ধ হয়ে যাবে। তাই এই ক্রান্তিলগ্নে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকারকে আবারও ক্ষমতায় আনতে সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। প্রগতিশীল সাংবাদিকরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি কলিম সরওয়ারের সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সভাপতি নাজিমুদ্দীন শ্যামল, চট্টগ্রাম-৯ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম-১০ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী ডা. মো. আফছারুল আমীন ও চট্টগ্রাম-১১ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী এমএ লতিফ।

প্রধান অতিথি সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধ করলেও বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে না। গোলাম আজমকে নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দিয়েছে তারা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারীরা কখনো বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটকে সমর্থন দিতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মিডিয়াকে বিবেচনায় নিতে হবে। দিন শেষে সাংবাদিকরা এ দেশের নাগরিক। আপনাদের সমর্থন সমাজে অনেক প্রভাব ফেলবে। চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের প্রার্থীদের সমর্থন দেয়ায় সরকার গঠন সহজ হবে।

মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, সাংবাদিকরা এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন- দেশ কোন পথে যাবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা গণমাধ্যমকে শিল্পে পরিণত করেছেন। রাজনৈতিক সৎ সাহস আছে বলেই এতগুলো গণমাধ্যমের অনুমতি দিয়ে সমালোচনাকে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। একজন রাজনৈতিক দার্শনিক হিসেবে তিনি নির্বাচন নিয়ে চিন্তা করছেন না, তিনি আগামী কয়েকটি প্রজন্মের কথা চিন্তা করছেন।

ডা. মো. আফছারুল আমীন বলেন, বার আউলিয়ার চট্টগ্রাম, বীরের দেশ চট্টগ্রামের সাংবাদিকরা যে সমর্থন দিলেন তা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার প্রতীক নৌকাকে এগিয়ে নেবে। সাংবাদিকদের রাজপথে দেখলে ভোটাররা উদ্বুদ্ধ হবে। কেন্দ্রে আসবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত কবর রচিত হবে প্রতিক্রিয়াশীলদের।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সভাপতি নাজিমুদ্দীন শ্যামল। আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, আলী আব্বাস, সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তাক আহমেদ, হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, জসিম চৌধুরী সবুজ, মোয়াজ্জেমুল হক, স্বপন দত্ত, পঙ্কজ কুমার দস্তিদার, রফিকুল বাহার, এজাজ ইউসুফী প্রমুখ।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২৬ বছর পূর্তি উদযাপন বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নে অঙ্গিকারাবদ্ধ ——পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি আইন বহাল রাখার ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে আশু করণীয় শীর্ষক-গোলটেবিল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত : উপনিবেশিক ও অসাংবিধানিক ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি আইন বহাল রাখার ষড়যন্ত্র প্রতিরোধ করতে হবে–সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক এমপি