কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্র ভয়াবহ পানি সঙ্কট : ৫টির মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে চলছে ১টি ইউিনিট

॥ কাপ্তাই প্রতিনিধি ॥ কাপ্তাইয়ে অবস্থিত কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ভয়াবহ পানি সঙ্কটে পড়েছে। পানির অভাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সব গুলো ইউনিট একযোগে চালানো সম্ভব হচ্ছেনা বলে জানা গেছে। এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন চরম হুমকির মধ্যে পড়েছে। পানি সঙ্কট বারো বৃদ্ধি পেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হবারও আশঙ্কা রয়েছে। কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী এটিএম আব্দুজ্জাহের কাপ্তাই লেকে পানি আশঙ্কাজনক পরিমানে কম রয়েছে বলেও স্বীকার করেন। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার সময় প্রকৌশলী আব্দুজ্জাহের বলেন, কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি জেনারেটরের সবগুলো বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন উপযোগী রয়েছে। কিন্তু লেকে পানি কম থাকায় শুধুমাত্র একটি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সচল রাখা হয়েছে। কেন্দ্রের ১ নাম্বার ইউনিটটি এখন কোনমতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সচল রয়েছে। এই ইউনিট থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। যার পুরোটাই জাতীয় গ্রীডে সঞ্চালন করা হচ্ছে।
প্রকৌশলী এটিএম আব্দুজ্জাহের বলেন, কাপ্তাই লেকে এখন (শুক্রবার) পানি রয়েছে ৮৫.০৫ ফুট মীন সি (এমএসএল) লেভেল। কিন্তু রুলকার্ভ অনুযায়ী এখন লেকে পানি থাকার কথা ৯৫ ফুট এমএসএল পানি। অর্থাৎ পরিমাপের চেয়ে কাপ্তাই লেকে এখন ১০ ফুট পানি কম রয়েছে। সহসা বৃষ্টি না হলে কাপ্তাই লেকের পানি আরো কমে যাবারও আশঙ্কা করছেন তিনি।
কাপ্তাই লেকের পানি দ্রুত কমে যাচ্ছে কেন জানতে চাইলে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একজন দায়ীত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কাপ্তাই লেকের পানি শুধুমাত্র কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে ঘিরে কৃত্রীম এই হ্রদ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে কাপ্তাই লেকের পানি রাঙ্গামাটি শহরের সকল বাসাবাড়ি, ছোট ছোট কারখানা এমনকি সরকারি অনেক দপ্তরেও মোটর বসিয়ে লেকের পানি টেনে নেওয়া হচ্ছে। এসব কারণে কাপ্তাই লেকের পানি দ্রুত কমে যাচ্ছে। ঐ কর্মকর্তা বলেন, কৃত্রিম এই জালাধারের উপর সবাই যদি নির্ভর হয়ে উঠেন তা হলে চরম ক্ষতির মুখে পড়বে বিদ্যুৎ উৎপাদন। কেননা স্বল্প খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কাপ্তাই হ্রদে পানির বিকল্প নেই।

থানচি সীমান্ত সড়কের ব্রীজ উদ্বোধন ও ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন পাহাড়ে উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবাসহ শান্তির পরিবেশ বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী নিরলস কাজ করে যাচ্ছে —–ব্রিঃ জেঃ মোঃ শামসুল আলম

চবি সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা রাঙ্গামাটির দৈনিক গিরিদর্পণ কার্যালয় পরিদর্শন দৈনিক গিরিদর্পণ পার্বত্য অঞ্চলের গণমাধ্যম ইতিহাসের অমূল্য দলিল —–অধ্যাপক শাহাব উদ্দীন নীপু ৪৩ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতার মাঝেও দৈনিক গিরিদর্পণ আজো নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে —–সম্পাদক মঞ্জুরাণী গুর্খা

Archive Calendar
MonTueWedThuFriSatSun
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031