করোনাভাইরাস: ছুটি বাড়লো ১১ এপ্রিল পর্যন্ত

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন মঙ্গলবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী সাধারণ ছুটি বাড়ানো হচ্ছে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ১১ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ছুটি থাকছে।
ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে মঙ্গলবারই প্রজ্ঞাপন জারি হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় ২৬ মার্চ থেকে দেশে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। সেই সঙ্গে সড়ক, নৌ, আকাশ পথে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ রেখে সবাইকে বাড়িতে থাকতে বলা হয়। এর আগে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার ১৭ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়। সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসার পর ২৪
মার্চ আরেক ঘোষণায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটির মেয়াদ ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ছুটি আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে আভাস দিয়েছেন।
একজন কর্মকর্তা বলছেন, রোজার ছুটির সঙ্গে এই ছুটি মিলিয়ে ঈদের পর সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার চিন্তাভাবনা করছে সরকার।
৪ এপ্রিল পর্যন্ত ঘোষিত সাধারণ ছুটি সরকারি-বেসরকারি সব অফিসের জন্যই প্রযোজ্য ছিল। নতুন করে বাড়ানো ছুটিও সব অফিসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে কি না, ছুটির আদেশে তা স্পষ্ট করা হবে বলে জনপ্রশাসনের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
করোনাভাইরাসের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে সাধারণ ছুটির মেয়াদ যে বাড়ানো হচ্ছে, সে ইংগিত মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সেই দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ওই সময় তিনি বলেন, “আমাদের ২৬ মার্চ থেকে ছুটি ছিল। কোয়ারেন্টিন (১৪ দিনের) কত তারিখ পর্যন্ত হবে? ৯ তারিখ পর্যন্ত। তাহলে বোধহয় আমাদের এই ছুটিটা সীমিত আকারে বাড়াতে হবে।”
ছুটি বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থাও সীমিত আকারে চালু রাখার কথা বলেন শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, “যোগাযোগ ব্যবস্থাটা চালু করার জন্য সেখানে আমরা চিন্তাভাবনা করেই করব, কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমরা সেখানে ছাড? দেব।”
প্রধানমন্ত্রীর ওই ঘোষণার পর ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটির প্রস্তাব তৈরি করে তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রধানমন্ত্রী নিজে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বে থাকায় তার অনুমোদন নিয়ে সাধারণ ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি আইন বহাল রাখার ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে আশু করণীয় শীর্ষক-গোলটেবিল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত : উপনিবেশিক ও অসাংবিধানিক ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি আইন বহাল রাখার ষড়যন্ত্র প্রতিরোধ করতে হবে–সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক এমপি

পার্বত্য এলাকায় খ্যাতিমান সাংবাদিক হিসেবে বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত : পার্বত্য চট্টগ্রামের সংবাদপত্রের পথিকৃত, চারণ সাংবাদিক দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক এ,কে,এম মকছুদ আহমেদের ৮০তম জন্মদিন আজ