মাটিরাঙ্গার তাইন্দং ও তবলছড়ি ইউনিয়নে সাতটি গ্রামে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ পেলো ১১শ পরিবার

॥ লিটন ভট্টাচায্য রানা, খাগড়াছড়ি ॥ খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গা উপজেলা তাইন্দং ইউনিয়নে বৃহত্তর মাঝপাড়া চারটি গ্রাম ছয়শত পরিবার ও তবলছড়ি ইউনিয়নের আদর্শ পাড়া তিনটি গ্রামে পাঁচশত পরিবার এলাকায় চারটি গ্রামে মোট ১১শ পরিবার নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ পেলো।
বৃহস্পতিবার (৬ আগষ্ট) সকালে খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গা উপজেলা তাইন্দং ইউনিয়নে ১১শ পরিবার মাঝে দুই কোটি টাকায় ব্যয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ উদ্ধোধনে করেন শরনার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, এমপি।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ। আর সমতলের সাথে তাল মিলিয়ে পার্বত্য এলাকা দিনি দিন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারের ভিশন-২০২১ ও ভিশন-২০৪১-এর কথা পুনরুল্লেখ করে বলেন, ‘দেশের প্রত্যেক মানুষের ঘরে আমরা আলো জ্বালব, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’ যেখানে বিদ্যুতের লাইন নেই, সেখানে তাঁর সরকার সোলার সিস্টেম বসিয়ে দিচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রায় এমপি’র বরাদ্দ থেকে টিআর, কাবিটা প্রকল্প থেকে সোলার সিস্টেম বসানো হয়েছে প্রতান্ত গ্রাম গুলিতে। মানুষের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা বৃদ্ধির সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টি যুক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষের এই চাহিদার সঙ্গে মিল রেখেই সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন করে যাচ্ছে।
এর আগে তাইন্দং পরিষদ মাঠে এসআইডি-সিএইচটিডিএফ, ইউএনডিপি ও পার্বত্য বিষষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ৫২৪ পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী তুলেদেন।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেরা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদ নির্বাহী কর্মকর্তা বিভিশন কান্তি দাশ, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সদস্য এড. আশুতোষ চাকমা, খোকনেশ্বর ত্রিপুরা, মংসুইপ্রু চৌধুরী, মাটিরাঙ্গ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোরশেদ খাঁন, সাধারণ সম্পাদক সুভাষ চাকমা, সহকারী প্রকৌশলী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড রাঙ্গামাটি যতœ মানিক চাকমা, জেলা সিএইচটিডিএফ, ইউএনডিপি কর্মকর্তা সুভাষিশ চাকমা, তাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ন কবীর ও তবলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন।
ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর জন্য ১০ প্রকারের দ্রব্যাদি বিতরণ করা হয় এবং বিতরণকৃত প্রতিটি প্যাকের মধ্যে রয়েছে -চাল ১৫ কেজি, ডাল ২ কেজি, লবণ ১ কেজি, সয়াবিন তেল ১ লিটার, পিয়াজ ১ কেজি, আলু ৫ কেজি, সাবান ২ টি, সবজি বীজ ৭ প্যাকেট (করলা বীজ – ১০ গ্রাম, ঢ়েড়স বীজ ১০ গ্রাম, মিষ্টি কুমড়া বীজ ১০ গ্রাম, শসা বীজ ১০ গ্রাম, লাউ বীজ ১০ গ্রাম, পুঁইশাক বীজ ১০ গ্রাম, চালকুমড়া বীজ ১০ গ্রাম করে), মাস্ক ৪ পিস ও সচেতনতাবৃদ্ধির লক্ষ্যে করোনা বিষয়ক ১টি ও বন্যপ্রাণী ও বন সংরক্ষণ বিষয়ক ১টি করে পোস্টার দেওয়া হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জেলা পর্যায়ে স্টেকহোল্ডার ক্যাম্পেইন বিষয়ক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ঘরে ঘরে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমাদের আরো গ্রহনযোগ্য প্রকল্প হাতে নিতে হবে —–দীপংকর তালুকদার এমপি