ভোট দিলে ভালো গরুর মাংসের ব্যবস্থা

ভারতে এরই মধ্যে বেশ কিছু রাজ্যে গরুর মাংস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অথচ সেখানে নির্বাচনের মুখে দাঁড়িয়ে একেবারে উল্টোপথে হাঁটলেন বিজেপি নেতা এন শ্রীপ্রকাশ। বললেন, কসাইখানা বন্ধ রাখা নিয়ে দল যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন, আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগ নেব, যাতে স্বচ্ছ কসাইখানাগুলো পুনরায় খোলা যায়।
সামনেই কেরলার মালাপ্পুরাম লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। সেই নির্বাচনে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এন শ্রীপ্রকাশ। রোববার নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানেই তার বক্তব্য, ‘বিভিন্ন কসাইখানা বন্ধের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়েছে দল। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেব, যে কসাইখানাগুলো আইন মোতাবেক কাজ করবে সেগুলো যাতে পুনরায় খোলা যায়। এবং সেখানে যেন ভালো গরুর মাংস পাওয়া যায়।’ খবর কলকাতা টোয়েন্টিফোরের।
উত্তরপ্রদেশে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসতেই কসাইখানা বন্ধের ওপর অভিযান চালানো হচ্ছে। যোগী আদিত্যনাথের সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যে কোন বেআইনি কসাইখানা রাখা চলবে না। গোবলয়ের রাজ্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজ্য বিধানসভায় সংশোধনী বিল আনে গুজরাটও। একধাপ এগিয়ে গরু হত্যা থেকে শুরু করে গো-মাংস বিক্রিতে কড়া শাস্তির কথা বলে বিজয় রুপানির সরকার। এরই মাঝে বিজেপি নেতার এমন মন্তব্য নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।
ভোটের কথা ভেবেই কি তবে এই মন্তব্য? এই বিষয়ে বিজেপি এই নেতার সাফাই, ‘কংগ্রেস আমল থেকেই এই ধরনের অভিযান চলছে। এই অভিযান নতুন কিছু নয়। অনেক রাজ্যেই কংগ্রেস সরকারে থাকার সময় বেআইনি কসাইখানা বন্ধের পথে হেঁটেছিল। এখন সেটাই অনুস্মরণ করা হচ্ছে।’\

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সশস্ত্র সংঘাত ও তথ্য বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে ছাত্র-যুবসমাজের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভা :  পার্বত্য অঞ্চলে কিছু গোষ্ঠী উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবেই বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে —-চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের