রাঙ্গামাটি জেলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও পুলিশ সদস্যসহ নতুন করে করোনা আক্রান্ত ৪২,মোট আক্রান্ত ৩৪১

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ রাঙ্গামাটিতে করোনা ভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। প্রতিদিনই আশংকাজনক হারে বাড়ছে সংক্রমনের হার। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে আসা রিপোর্টে নতুন করে আরো ৪২ জনের করোনা পজিটিভ সংক্রমনের তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গামাটি সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ও করোনা বিষয়ক ফোকাল পার্সন ডা. মোস্তফা কামাল। এনিয়ে রাঙ্গামাটি জেলায় মোট করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪১জনে।
তিনি জানান, চট্টগ্রাম সিভাসু এবং বিআইটিআইডি হতে পজিটিভ রিপোর্ট আসা ৪২ জনের মধ্যে রাঙ্গামাটি সদরের রয়েছে ২৫ জন, জুরাছড়ি ৯ জন, কাপ্তাই ৬ জন ও রাজস্থলিতে ২ জন।
তিনি আরো জানান, সকালে চট্টগ্রাম সিভাসু এবং বিআইটিআইডি হতে আসা রিপোর্টে কাপ্তাইয়ের ১নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাবেক জাতীয় দলের ফুটবলার বিপ্লব মারমা এবং তার স্ত্রী ও পুলিশ সদস্যসহ সর্বমোট ৬ জনের করোনা পজেটিভ এসেছে।
এনিয়ে রাঙ্গামাটি জেলায় মোট সংক্রমনের শনাক্ত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪১জন। বুধবার পর্যন্ত এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন ১৫৪জন। করোনায় এ জেলায় এযাবৎ মারা গেছেন মহিলাসহ ৬জন। বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছে ১৫ জন। এছাড়াও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন বেশ কয়েকজন।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৭ জুন) করোনা উপসর্গ নিয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়। তিনি শহরের চম্পকনগর এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। স্বাস্থ্যবিধি নিয়ম মেনেই করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া নারীর শেষকৃত্যানুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়েছে। অন্যদিকে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে রাঙ্গামাটি জেলা শহরের তবলছড়ি এলাকায় সুরত আলী নামের এক আওয়ামীলীগ কর্মী এবং লংগদু উপজেলায় অনিল দাশ নামের এক বৃদ্ধা করোনা মারা যান।
এদিকে বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে করোনা উপসর্গ নিয়ে রাঙ্গামাটি শহরে আশীষ দাশ নামের আরও এক ব্যক্তি মারা যান। তিনি শহরের পূর্ব ট্রাইবেল আদাম এলাকার বাসিন্দা। এনিয়ে চারদিনে জেলায় করোনা উপসর্গ নিয়ে ৪ জন মারা গেছে বলে জানা গেছে। তবে করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হওয়ায় তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। রিপোর্ট আসলে জানা যাবে তাদের করোনায় আক্রান্ত ছিলেন কি না।
রাঙ্গামাটি জেলায় মোট কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে ৩২৭৮ জনকে। তার মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ১১১২ জন, হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ২১৬১ জন। কোয়ারেন্টাইন ছাড়পত্র পেয়েছে ৩১৮০ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ৯৮ জন। রাঙ্গামাটি থেকে এ পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে ২১৩৩ জনের। তার মধ্যে ১৮৯১ জনের নমুনা হাতে পাওয়া গেছে। রিপোর্ট বাকী রয়েছে ২৪২ জনের। সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪১জন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২৬ বছর পূর্তি উদযাপন বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নে অঙ্গিকারাবদ্ধ ——পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি আইন বহাল রাখার ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে আশু করণীয় শীর্ষক-গোলটেবিল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত : উপনিবেশিক ও অসাংবিধানিক ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি আইন বহাল রাখার ষড়যন্ত্র প্রতিরোধ করতে হবে–সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক এমপি